Showing 49–60 of 60 resultsSorted by latest
-

৳১৮০কালোজিরা আমরা সকলেই চিনি। নিমকি বা কিছু তেলে ভাজা খাবারে ভিন্ন ধর্মী স্বাদ আনতে কালোজিরা বেশি ব্যবহার করা হয় থাকে। এছাড়া অনেকেই কালজিরার ভর্তা খেয়ে থাকেন। অনেকে আবার কালোজিরা খেতে পছন্দ করেন না। কিন্তু কালোজিরার ব্যবহার খাবারে একটু ভিন্নধর্মী স্বাদ আনাতেই সীমাবদ্ধ নয়। আয়ুর্বেদিক ও কবিরাজি চিকিৎসাতে কালোজিরার অনেক ব্যবহার হয়। কালোজিরার বীজ থেকে তেল পাওয়া যায়, যা আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারী।
-
ছাড়!

৳১৭৫ – ৳১,৬৯০Price range: ৳১৭৫ through ৳১,৬৯০দারুচিনি এইগ্রহের সবচেয়ে বেশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ভেষজ। এর মিষ্টি স্বাদ এবং সুন্দর সুবাস জন্য শতাব্দীর পর শতাব্দীর ধরে প্রায় প্রত্যেক সংস্কৃতির দ্বারা সম্মানিত হয়ে আসছে। দারুচিনিতে রক্তের শর্করার রোধক সহ উন্নত অসাধারণ ঔষধি গুণাবলী রয়েছে যা , প্রদাহ কমাতে এবং স্নায়বিক স্বাস্থ্য উন্নীত করতে সহায়তা করে। এছাড়াও সুগন্ধি মসলা হিসাবে দারুচিনি ব্যপকভাবে পরিচিত । শুধু রান্নায় গন্ধ বৃদ্ধি নয়, শরীর ও ত্বক উভয়ের জন্যই দারুচিনির ব্যবহার করা যায়। এর অনেক উপকারিতা রয়েছে । চলুন জেনে নেই দারুচিনি আমাদের শরীরের কি কি উপকারিতা সাধন করে থাকে।
-

৳১৯০দারুচিনি এইগ্রহের সবচেয়ে বেশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ভেষজ। এর মিষ্টি স্বাদ এবং সুন্দর সুবাস জন্য শতাব্দীর পর শতাব্দীর ধরে প্রায় প্রত্যেক সংস্কৃতির দ্বারা সম্মানিত হয়ে আসছে। দারুচিনিতে রক্তের শর্করার রোধক সহ উন্নত অসাধারণ ঔষধি গুণাবলী রয়েছে যা , প্রদাহ কমাতে এবং স্নায়বিক স্বাস্থ্য উন্নীত করতে সহায়তা করে। এছাড়াও সুগন্ধি মসলা হিসাবে দারুচিনি ব্যপকভাবে পরিচিত । শুধু রান্নায় গন্ধ বৃদ্ধি নয়, শরীর ও ত্বক উভয়ের জন্যই দারুচিনির ব্যবহার করা যায়। এর অনেক উপকারিতা রয়েছে । চলুন জেনে নেই দারুচিনি আমাদের শরীরের কি কি উপকারিতা সাধন করে থাকে।
-

৳৪৪০কালোজিরা খাওয়ার নিয়ম বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) বলেছেন: “ তোমরা কালোজিরা ব্যবহার করবে, কেননা এতে একমাত্র মৃত্যৃ ব্যতীত সর্বরোগের মুক্তি এতে রয়েছে”। আসুন আমরা জেনে নেই আমাদের জন্য কি কি ঔষধী গুণ আছে এই কালোজিরাতে (নবীর উপরে আর কোন কথা থাকে না। তারপরও এর ব্যবহার বা উপকারিতাগুলো জেনে নিলে ভালো হয়।) আর ভালো কালোজিরা বাছাই করে ব্যবহার করুন।
১। হজমের সমস্যায়এক-দুই চা-চামচ কালোজিরা বেটে পানির সঙ্গে খেতে থাকুন। এভাবে প্রতিদিন দু-তিনবার খেলে এক মাসের মধ্যে হজমশক্তি বেড়ে যাবে। পাশাপাশি পেট ফাঁপাভাবও দূর হবে।
২। জ্বর, ব্যথা, সর্দি-কাশিতে এক চা-চামচ কালোজিরার সঙ্গে তিন চা-চামচ মধু ও দুই চা-চামচ তুলসী পাতার রস মিশিয়ে প্রতিদিন একবার সেবন করুন। কালোজিরা বেটে কপালে প্রলেপ দিন যদি সর্দি বসে যায়। একই সঙ্গে পাতলা পরিষ্কার কাপড়ে কালোজিরা বেঁধে শুকতে থাকুন, শ্লেষ্মা তরল হয়ে ঝরে যাবে। তাড়াতাড়ি ভালো ফল পেতে বুকে ও পিঠে কালিজিরার তেল মালিশ করুন।
৩। মায়েদের বুকের দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে প্রতিদিন রাত্রে শোবার আগে ৫-১০ গ্রাম কালোজিরা মিহি করে দুধের সঙ্গে খেতে থাকুন। ইনশাআল্লাহ্ মাত্র ১০-১৫ দিনে দুধের প্রবাহ বেড়ে যাবে। এছাড়া এ সমস্যা সমাধানে কালোজিরা-র ভর্তা করে ভাতের সঙ্গে খেতে পারেন। যারা জানেন না তাদের জন্য ভর্তা বানানোর প্রক্রিয়া পরে পোস্ট করা হবে।
৪। কপালের দুই পাশ এবং কানে পাশে দিনে তিন-চারবার কালিজিরার তেল মালিশ করুন মাথাব্যাথা ভালো হয়ে যাবে।
৫। নিয়মিত কালিজিরা খান। এটি মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে দেয়। যার দরুন স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়। এর সঙ্গে এটি প্রাণশক্তি বাড়ায় ও ক্লান্তি দূর করে।
৬। কালোজিরা লিভার ক্যান্সারের জন্য দায়ী আফলাটক্সিন নামক বিষ ধ্বংস করে। তাই যারা লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত তারা আজ থেকে খাওয়া শুরু করে দিন।
৭। চুলপড়ারোধে কালোজিরা নিয়মিতভাবে খান এতেেআপনার চুল পর্যাপ্ত পুষ্টি পাবে। ফলে চুল পড়া বন্ধ হবে। আর ভালো ফল পেতে চুলের গোড়ায় এর তেল মালিশ করতে থাকুন।
৮। ডায়বেটিকস্ রোগীরা এক চিমটি পরিমাণ কালিজিরা এক গ্লাস পানির সঙ্গে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেয়ে দেখুন, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে একসময় ডায়বেটিকস্ কমে যাবে ইনশাআল্লাহ।
৯। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কালোজিরার তেল ব্যবহার করুন। শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি দূর করে। হৃদরোগ নিয়ন্ত্রন করে।
১০। পক্ষাঘাত (প্যারালাইসীস) ও কম্পন রোগে কালোজিরার তৈল মালিশ করলে আশ্চর্যজনক ফল পাওয়া যায়।
১১। কালোজিরা যৌন ব্যাধি ও স্নায়ুবিক দুর্বলতায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য অতি উতকৃষ্ট ঔষধ।
১২। শুলবেদনা ও প্রসূতি রোগে কালোজিরা অত্যধিক উপকারী। ব্রুনের জন্যও এটি উত্তম ঔষধ।
১৩। মূত্রথলির পাথর ও জন্ডিস থেকে আরোগ্য লাভ করতে কালোজিরা খান নিয়মিত যতবার পারেন।
১৪। অধিক ঋতু স্রাব, মাত্রাতিরিক্ত পেশাব প্রতিরোধ করতে কালোজিরার উপকারিতা অপরিসীম। এটি কৃমিনাশক।
১৫। তিরমিযী,বুখারী,মুসলিম থেকে নেয়া—
হযরত কাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে, “প্রতিদিন ২১টি কালোজিরার ১টি পুটলি তৈরী করে পানিতে ভিজাবে এবং পুটলির পানির ফোঁটা এ নিয়মে নাশারন্দ্রে (নাশিকা, নাক) ব্যবহার করবে-“প্রথমবার ডান নাকেরছিদ্রে ২ ফোঁটা এবং বাম নাকের ছিদ্রে ১ ফোঁটা। দ্বিতীয়বার বাম নাকের ছিদ্রে ২ ফোঁটা এবং ডান নাকের ছিদ্রে ১ ফোঁটা। তৃতীয়বার ডান নাকের ছিদ্রে ২ ফোঁটা ও বাম নাকের ছিদ্রে ১ ফোঁটা।”
১৬। হযরত আনাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, “নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, যখন রোগ-যন্ত্রণা খুব বেশী কষ্টদায়ক হয় তখন এক চিমটি পরিমাণ কালোজিরা নিয়ে খাবে তারপর পানি ও মধু সেবন করবে।”
– মুজামুল আওসাতঃ তাবরানী।
১৭। কালোজিরা রিউমেটিক এবং পিঠে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
১৮। নিয়মিত কালোজিরা সেবনে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে সতেজ করে ও সার্বিকভাবে স্বস্থ্যের উন্নতি সাধন করে।
১৯। ভাত, তরকারী ইত্যাদির সাথে কালোজিরা মিশিয়ে খান রোগশোক থেকে দূরে থাকুন।
-

৳৪৯০বাসায় তৈরি সম্পূর্ণ ক্যামিক্যাল, প্রিজারভেটিভ এবং ক্ষতিকারক রঙ মুক্ত আস্তো জলপাই এর আচার
এর লোভনীয় স্বাদ আপনাকে বার বার খেতে বাধ্য করবে।
অনেক টা দিল্লির কা লাড্ডুর মত এক বার খেলেই ফেসে যাবেন।
সিধান্ত আপনার!
-

৳৪৯০খাবারে টেস্ট যোগ করার জন্য কাঁচা মরিচ বাংলাদেশের বাসা-বাড়িতে ব্যবহৃত প্রাচীনতম মশলাগুলির মধ্যে একটি। কাঁচা মরিচ তরকারিতে একটি শক্তিশালী তীক্ষ্ণ এবং মসলাযুক্ত টেস্ট দিতে পারে। তরকারি,আর নিরামিষ এক-আধটু ঝাল থাকতেই হবে। ঠিকমতো ঝাল না হলে বেশীর ভাগ মানুষ এর কাছে তরকারি স্বাদহীন হয়ে যায়
মরিচ এক প্রকারের ফল যা মসলা হিসাবে ঝাল স্বাদের জন্য রান্নায় ব্যবহার করা হয়। ক্যাপসিকাম (Capsicum) গণের সোলানেসি (Solaneceae) উদ্ভিদের ফলকে সাধারণতো মরিচ বলা হয়। মরিচের ফলকে মসলা হিসাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে বাসা বাড়িতে।
বাংলাদেশ এর টাঙ্গাইল জেলা কাঁচা মরিচ বিখ্যাত। উত্তরাঞ্চলের মরিচ ‘আকালি’ নামে পরিচিত। টাঙ্গাইল জেলার পাহাড়ের ঢালু অঞ্চলেও কাঁচা মরিচ ভালো উৎপন্ন হয়, তবে সেগুলো আকৃতি ছোট —যার নাম হচ্ছে ‘ধাইন্যা মরিচ’।
তাছাড়া দেশে অসংখ্য রকমের মরিচ চাষ হচ্ছে। আছে এর বিভিন্ন জাতও উল্লেখ্যযোগ্য হলো—রোপা মরিচ, বোনা মরিচ এবং মিষ্টি মরিচ।
আসুন জেনে নেই কাচা মরিচ আচার এর উপকারিতাঃ
কাঁচা মরিচ এর আচার খুব উপকারী। এতে যথেষ্ট পরিমাণে আমিষ, শর্করা, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’ রয়েছে। তাছাড়া অনেক জাতে ‘কেপসাইসিন’ থাকায় মরিচ ঝাল হয়ে থাকে। মরিচ এর মধ্যে একটি ক্ষারীয় যৌগ রয়েছে ক্যাপসাইসিন যা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ডায়াবেটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।শুনতে পাওয়া যায় এটি এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে পারে।
আর এ জন্যই আমাদের খাবার আরও মুখোরোচক করতে প্রতিদিন এর মেন্যু তে কাচা মরিচ এর আচার রাখতে হবে।
আমারা চুই ঝাল পরিবার আপনাদের কথা চিন্তা করে নিয়া এলাম কাচা মরিচ এর আচার। এক বাসাই সবাই কিন্তু এক টাইপ এর ঝাল পছন্দ করে না। তাই যার যার পছন্দ মত ঝাল এর স্বাদ এই কাচা মরিচ এর আচার থেকে নিতে পারেন। এই আচার এ এক সাথে দুই কাজ করবে তা হল ঝাল ও পাবেন সাথে আচার এর মজা।
-

৳৪৯০১. বরইয়ে থাকা খাদ্যশক্তি শরীরের দুর্বলতা কাটিয়ে তুলতে সহায়তা করে।
২. এতে উপস্থিত পর্যাপ্ত পরিমান ভিটামিন এ চোখের যত্নে দারুণ ভাবে কাজ করে। দৃষ্টিশক্তি শক্তিশালী করতে এর জুড়ি নেই।
৩. রক্তশুন্যতা দূর করতেও বরই বেশ কার্যকরী।
৪. হাড়ের গঠনে বরইয়ে থাকা ক্যালসিয়াম সাহায্য করে।
৫. বরইয়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। ভিটামিন সি ইনফেকশনজনিত রোগ যেমন টনসিলাইটিস, ঠোঁটের কোণে ঘা, জিহ্বাতে ঘা, ঠোঁটের চামড়া উঠে যাওয়া ইত্যাদি দূর করে।
-

৳৪৯০বোম্বাই মরিচ, মরিচের একটি প্রজাতি, যা প্রচণ্ড ঝালের কারণে সমধিক পরিচিত।
অন্যান্য আরও বহু নামে পরিচিত হলেও কোথাও নাগা মরিচ, কামরাঙা মরিচ নামেও পরিচিত।
১:বোম্বাই মরিচ চোখের জন্য বেশ উপকারী।
২:যেসব ব্যক্তিদের রক্তাল্পতার সমস্যা আছে,তারা খাদ্য তালিকায় বোম্বাই মরিচ রাখতে পারেন।
৩:ত্বকের ইনফেকশনের সমস্যায় বোম্বাই মরিচ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
-

৳৪৯০আমাদের একজন ক্লায়েন্ট লিখেছেন ”
“Neither too spicy
Nor too sweet
Just the right flavor
A pleasure to eat”
-

৳৪৯০এর লোভনীয় স্বাদ আপনাকে বার বার খেতে বাধ্য করবে।
অনেক টা দিল্লির কা লাড্ডুর মত এক বার খেলেই ফেসে যাবেন।
সিধান্ত আপনার!
-
ছাড়!

৳৩,৮০০ Original price was: ৳৩,৮০০.৳১,৯০০Current price is: ৳১,৯০০.ম্যাজিক রুটি মেকার আধুনিক গৃহিণীর পছন্দের তালিকায় শীর্ষে।
সুবিধা সমূহঃ
১. কোন বিদ্যুৎ খরচ নাই
২. সম্পূর্ণ ফুডগ্রেড পণ্য
৩. আকারে ছোট, তাই সহজে বহন যোগ্য
৪. ১ বছরের গ্যারান্টি
৫. ৯ ইঞ্চি সাইজ পর্যন্ত রুটি তৈরীর সুবিধা
-
ছাড়!

৳২,৯০০ Original price was: ৳২,৯০০.৳২,০০০Current price is: ৳২,০০০.ম্যাজিক রুটি মেকার আধুনিক গৃহিণীর পছন্দের তালিকায় শীর্ষে।
সুবিধা সমূহঃ
১. কোন বিদ্যুৎ খরচ নাই
২. সম্পূর্ণ ফুডগ্রেড পণ্য
৩. আকারে ছোট, তাই সহজে বহন যোগ্য
৪. ১ বছরের গ্যারান্টি
৫. ৭.৫ ইঞ্চি সাইজ পর্যন্ত রুটি তৈরীর সুবিধা