শীতে চুলের যত্নে ১০ টিপস

শীতকালটি অন্য সব ঋতু থেকে আলাদা। এ সময় চুলের রূক্ষ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এছাড়াও রয়েছে কয়েকটি অযাচিত ঝামেলা, যা থেকে চুলকে রক্ষার জন্য বাড়তি যত্নের প্রয়োজন হয়। শীতকালে চুলের যত্নে কয়েকটি টিপস

 

১. আমাদের সবারই উচিৎ ভালো মানের একটি শ্যাম্পু ব্যবহার করা। তবে অতিরিক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। প্রতিদিন নয় বরং ২/৩  দিন পর পর শ্যাম্পু করুন। তবে আমাদের যেহেতু প্রতিদিন বাড়ির বাইরে যেতে হয় চুলে  ধুলোবালির কারণে যদি অতিরিক্ত ময়লা হয়ে যায় তখন প্রয়োজনের ভিত্তিতে শ্যাম্পু এক দিন পর পর ব্যবহার করতে হবে। তাই শিতকালে কনকনে ঠাণ্ডা কিংবা গরম পানি নয়, বরং কুসুম গরম (দেহের তাপমাত্রার) পানি ব্যবহার করুন।

২. চুলের যত্নে ভালো মানের  কন্ডিশনার ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিবার চুল ধোয়ার পর সুবিধামতো একটি কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। এটি চুলের উজ্জ্বলতা বাড়াবে ও চুল ভেঙে যাওয়া রোধ করবে খুব সহজে ।

৩. অনেকেই আছে চাকুরীজীবী তেমন ভাবে চুলের যত্ন নিতে পারে না তারা সপ্তাহে একবার করে হেয়ার ট্রিটমেন্ট মাস্ক ব্যবহার করুন। এতে চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।চুল হবে ঝলমলে।

 

৪.শীত কালে  হেয়ারড্রায়ার ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন । জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করলেও তা যেন বাড়তি গরম ও বাড়তি শুষ্ক না হয় সেদিকে বিশেষ লক্ষ রাখুন।

 

৫.আমরা অনেকেই আছি যে ভেজা চুল নিয়ে বের হয়ে যাই । ভেজা চুল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হবেন না। ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় চুলের ক্ষতি হতে পারে।

 

৬.চাকুরীজীবী অনেকেই আছে যারা চুলের কালিং কিংবা স্ট্রেইটনার ব্যবহার করেন তাহলে চুলের ক্ষতি এড়াতে প্রয়োজনীয় কন্ডিশনার ও স্প্রে ব্যবহার করুন।যাতে করে চুলের ক্ষতি না হয় ।

 

৭. হারবাল তেল বা নারিকেলের মতো প্রাকৃতিক তেল ব্যবহার করুন। চুলের ময়েশ্চার ধরে রাখতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে তেল। সপ্তাহে ১বার হট অয়েল ট্রিটমেন্ট করতে পারেন।

 

৮.বেশির ভাগ মহিলাদের চুলের ডগা ফেটে যায় তারা  নিয়মিত চুলের ডগা ছেটে চুল ফেটে যাওয়া রোধ করুন। সেক্ষেত্রে প্রতি ৫/৬ মাস পর পর এ কাজটি করতে পারেন।

 

৯. শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে চুল ঠিক রাখতে প্রয়োজনে স্কার্ফ ব্যবহার করুন।

 

১০. শীতের শুষ্ক বাতাসে বাইরে ঘোরাঘুরি করলে চুল বেঁধে রাখুন। এ সময় চুল বেশি ক্ষণ ছেড়ে রাখলে তা রুক্ষ হয়ে যেতে পারে।

Similar Posts

  • |

    শক্ত মজবুত চুল পেতে চান ?

    মেথি চুলের জন্য উপকারী একটা উপাদান তা আমরা অনেকেই জানি। মেথিতে রয়েছে ভিটামিন,প্রোটিন,পটাশিয়াম,লেসিথিন আরও অনেক উপকারী উপাদান। তবে আজ বলব মেথির তেলের কথা।কারণ মেথির পেস্ট লাগাতে অনেক সময় সমস্যা হয়। মেথির গুঁড়ো চুলের ভেতর আটকে থাকে। তাই তেল ব্যবহার করুন। এটাও একইরকম উপকার দেবে আর কোন সমস্যাও হবেনা। মেথিতে রয়েছে একপ্রকার হরমোন যা চুলের বৃদ্ধি…

  • |

    চুলের যত্ন নিন কাঠ বাদামের সাথে

    কাঠবাদাম আমাদের কাছে অতি পরিচিত। স্বাদের তুলনায় কাঠবাদাম পুষ্টিগুণেই বেশি সমৃদ্ধ। এই বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন বি, ই, ডি এবং উপকারী ফ্যাট। প্রতি ১০০ গ্রাম কাঠবাদামে রয়েছে – এনার্জি ৫৭৮ কিলোক্যালরি, কার্বোহাইড্রেট ২০ গ্রাম, আঁশ ১২ গ্রাম, ফ্যাট ৫১ গ্রাম, প্রোটিন ২২ গ্রাম, থায়ামিন ০.২৪ মিলিগ্রাম, রাইবোফ্লেভিন ০.৮ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন ৪ মিলিগ্রাম, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড…

  • ঘুমের আগে চুলের যত্ন

    সারা দিনের ব্যস্ততা শেষে ক্লান্তি আর আলসেমি দুটোই একসঙ্গে ভর করে। তবে চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে আলসেমিটুকু জয় করতে হবে। রাতে শোবার আগে সামান্য পরিচর্যা চুলের সমস্যা থেকে মুক্তি দেবে। ♦ শোবার আগে চুল ভালো করে আঁচড়ে নিন। চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন ভালো হবে। প্রথমে মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে ভালো করে জট ছাড়িয়ে নিন। সব…

  • |

    এই শীতে চুলকে দিন বাড়তি যত্নের ছোঁয়া

    শীতের শুষ্ক আবহাওয়ার প্রভাব শুধু ত্বকেই নয় চুলের উপর ও পড়ে। চুল  হারায় তার স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা এবং দুর্বল হয়ে ভেঙ্গে পড়ে। তাই শীত কালে ত্বকের পাশাপাশি চুলের ও নিতে হয় বিশেষ যত্ন। শীতকালে চুলের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে খুসকি। মাথার তালুর সাদা শুষ্ক ত্বকের স্তরই হচ্ছে খুসকি। এই সময়ের আর্দ্রতাহীন আবহাওয়ার কারনে এই সমস্যা আরো বেড়ে…

  • |

    চুলের যত্নে নারকেল তেল

    চুলের যত্নে নারকেল তেলের ব্যবহার আদিকাল থেকে চুলের যত্নে নারকেল তেলের ব্যবহার হয়ে আসছে।  রুক্ষ, মলিন, প্রাণহীন চুলকে স্বাস্থ্যোজ্বল করে তুলতে নারকেল তেলের জুড়ি নেই। নারকেল তেলের প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার চুলকে করে তোলে নরম এবং কোমল। এছাড়া নারকেল তেলে আছে প্রোটিন, ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন বি ও সি, এবং জিংক, পটাশিয়াম যা চুলকে ভিতর থেকে পুষ্টি যোগায়।...
  • খুশকি দূর করার ঘরোয়া উপায়

    খুশকি একবার মাথার ত্বকে আক্রমণ শুরু করলে, তা বাড়তেই থাকে আর শীত কাল হলে তো কথায় নেই ।শীতের সময়ে বাড়ে খুশকির সমস্যা। চুল ঝরা, রুক্ষ চুল, বিভিন্ন ধরনের স্ক্যাল্প ইনফেকশন খুশকি সমস্যার কারণ হয়ে থাকে।  শীতকাল ও মাত্রাতিরিক্ত দূষণের ফলে চুল পড়া ও খুশকির সমস্যা অন্য সময়ের চেয়ে বেশি দেখা দিয়ে থাকে। তাই  শীতের সময়ে…

Leave a Reply